সকল সেনা অভ্যুত্থানে আ’লীগ জড়িত: মির্জা ফখরুল

ঢাকা- জিয়াউর রহমানের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের পূর্ব ঘোষিত আনন্দ র‌্যালির পরিবর্তে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।‘পঁচাত্তরে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর আওয়ামী লীগই প্রথম সামরিক শাসন জারি করেছিলো’ বলে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলো এরশাদ। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক মধুর। এখনো সে সম্পর্ক আছে।’

তিনি বলেন, ‘ওই সেনা অভ্যুত্থানের (এরশাদ) সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন- আইএম নট আনহ্যাপি। সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দিন-মউনুদ্দিন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলে আজকের প্রধানমন্ত্রী হাসতে হাসতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এখন তারা ক্ষমতায় এসে অভ্যুত্থানের গল্প বলে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করছে। উদ্দেশ্য একটাই- জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানো।’

 

হিযবুত তাহরী সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হিযবুত তাহরীর কোন দল তা বুঝি না। বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল। এ দল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনগণের ভোটে পঁাঁচবার ক্ষমতায় এসেছে। অন্য কোনো পন্থায় বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে হয়নি।’

 

‘কেবল পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির জন্য সরকারের পদত্যাগ করা উচিত’ বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।‘জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি কোনো দিন কোনো সেনা অভ্যুত্থানে সম্পৃক্ত ছিলো না’ দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সকল সেনা অভ্যুত্থানের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত ছিলো।’

 

 

তিনি বলেন, ‘গত ১৪ মাস ধরে পুঁজিবাজারে লুট চলছে। গতকাল (সোমবার) ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এ সরকারের প্রতীকী শবদেহ বহন করে নিয়ে গেছে।’

 

যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম-মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু প্রমুখ।